🙏 নমস্কার ড্রাইভার দাদাভাই,
আপনারা আমাদের দেশের পরিবহন ব্যবস্থার মেরুদণ্ড। রোদ-বৃষ্টি-ঝড় উপেক্ষা করে প্রতিদিন স্টিয়ারিং ধরে যে অক্লান্ত পরিশ্রম আপনারা করেন, তা সত্যিই অমূল্য ও প্রশংসনীয়। কিন্তু এই দীর্ঘ পথচলায় অনেকসময় আপনাদের সামনে আসে নানা সমস্যা— গাড়ি খারাপ হওয়া, দুর্ঘটনা, কিংবা রাস্তায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া।
আমাদের প্রতিশ্রুতি
গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম (বড় হাতের ইংরেজি): ড্রাইভার মহাসংঘ এমন একটি মানবিক সংগঠন, যা শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই নয়, সমগ্র ভারতবর্ষে ড্রাইভার সমাজের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কাজ করছে। ড্রাইভারদের অধিকার, সুরক্ষা ও সম্মান রক্ষার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠন ইতিমধ্যেই অসংখ্য ড্রাইভার দাদা ভাইদের ভরসা ও আস্থার জায়গা হয়ে উঠেছে।
সদস্যপদ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে
আমাদের সংগঠনে যুক্ত হতে কোনো খরচ, চাঁদা, মাসিক বা বাৎসরিক ফি লাগে না। শর্ত একটাই — আপনি যদি একজন ড্রাইভার হন, তবে আপনিই আমাদের পরিবারের সদস্য।
কেন এই সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ?
গাড়ি খারাপ হলে বা দুর্ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক সহায়তা
জরুরি ব্লাড প্রয়োজন হলে সদস্যরা বিনামূল্যে রক্তদান করে সহায়তা
ড্রাইভার সমাজের ওপর অত্যাচার ও হয়রানির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ প্রতিবাদ
সরকারের কাছে ড্রাইভারদের জন্য বিশেষ কল্যাণমূলক প্রকল্প চালুর দাবি
সমস্যার সময় পাশে থাকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি
🧭 আমাদের লক্ষ্য
"ড্রাইভার সমাজের— সুরক্ষা নিশ্চিত করা, অধিকার রক্ষা করা, এবং সম্মান প্রতিষ্ঠা করা। একতা আজকের দিনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় — একতাই শক্তি।"
📢 আমাদের ১৭ দফা দাবীসমূহ
-
ড্রাইভারদের "জাতির দ্বিতীয় সৈনিক" হিসাবে ঘোষনা করা হোক।
-
১লা সেপ্টেম্বরকে সরকারিভাবে "ড্রাইভার দিবস" হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
-
জনতার আক্রোশ ও হামলা থেকে ড্রাইভারদের সুরক্ষার জন্য একটি স্বতন্ত্র আইন প্রণয়ন করা হোক।
-
যদি কোনো ড্রাইভার দুর্ঘটনায় মারা যান, তাহলে তার পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা অনুদান এবং গুরুতর আহত হলে ১০ লক্ষ টাকা ও বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।
-
৫৫ বছর বয়সের পর সকল ড্রাইভারদের মাসিক ৫,০০০ টাকা পেনশন দেওয়া হোক।
-
ড্রাইভারদের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম (বড় হাতের ইংরেজি): ড্রাইভার মহাসংঘ-এর অধীনে একটি কল্যাণ বোর্ড গঠন করা হোক।
-
প্রতিটি ড্রাইভার পরিবারের জন্য দুটি ঘর বিশিষ্ট আবাসনের ব্যবস্থা করা হোক।
-
ড্রাইভার পরিবারের সন্তানদের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার সুব্যবস্থা করা হোক।
-
জাতীয় সড়ক NH এ প্রতি ১০০ কিলোমিটার অন্তর পার্কিং ও টয়লেটের ব্যবস্থা করা হোক।
-
ড্রাইভারদের স্থানীয় এলাকায় গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।
-
টোল প্লাজায় কর্মরত কর্মীদের তাদের নিজ বাড়ি থেকে কমপক্ষে ১৫০ কিলোমিটার দূরে পোস্টিং করা হোক।
-
ড্রাইভার পরিবারের সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য রিজার্ভেশন সুবিধা দেওয়া হোক।
-
ড্রাইভারদের স্থানীয় এলাকায় নির্বিঘ্নে গাড়ি চালানোর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা করা হোক।
-
কোনো ড্রাইভার দুর্ঘটনায় মারা গেলে তার মৃতদেহ ঘটনাস্থল থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত বিনামূল্যে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
-
প্রত্যেকটি কোম্পানিতে ড্রাইভারদের জন্য যথাযথ পার্কিং স্পেশ ও বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা করা হোক।
-
প্রতিটি গাড়ির সামনে, পিছনে ও দুই পাশে ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হোক।
-
প্রত্যেক ড্রাইভারের জন্য বীমা বাধ্যতামূলক করা হোক।
যুক্ত হোন আমাদের সঙ্গে
তাই আর দেরি নয়। আজই যুক্ত হোন গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম (বড় হাতের ইংরেজি): ড্রাইভার মহাসংঘ-এর পরিবারে।
যুক্ত হন
ধন্যবাদান্তে, গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম (বড় হাতের ইংরেজি): ড্রাইভার মহাসংঘ